দশম শ্রেণীর ভূগোল দ্বিতীয় অধ্যায় বায়ুমন্ডল প্রশ্ন উত্তর | Class 10 Geography Bayumondol Question Answer

দশম শ্রেণী ভূগোল দ্বিতীয় অধ্যায় বায়ুমণ্ডল থেকে সাজেশন ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর গুলি এখানে দেওয়া হলো।

Class 10 Geography chapter 2 bayumondal suggestion question answer.

মাধ্যমিক : বায়ুমন্ডল : সাজেশন

দশম শ্রেণীর ভূগোল দ্বিতীয় অধ্যায় অনুশীলনী প্রশ্ন উত্তর

শ্রেণীমাধ্যমিক দশম শ্রেণী
বিষয়মাধ্যমিক ভূগোল
অধ্যায়দ্বিতীয় অধ্যায়- বায়ুমন্ডল
প্রশ্নের ধরণOnly সাজেশন ভিত্তিক
Targetমাধ্যমিক 2024
Created ByMoneygita Team

ক্লাস টেন ভূগোলের দ্বিতীয় অধ্যায় বায়ুমণ্ডল থেকে কেবলমাত্র ইম্পরট্যান্ট ইম্পরট্যান্ট প্রশ্ন এবং তাদের উত্তরগুলি এখানে রয়েছে যা ২০২৪ মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অবশ্যই এই লিস্টে থাকা প্রত্যেকটি প্রশ্ন ভালো করে পড়বে।

Class 10 Geography বায়ুমণ্ডল MCQ

বহু বিকল্পভিত্তিক প্রশ্নাবলি   :  প্রশ্নমান – 1 

1. ক্যারিবিয়ান সাগরে ক্রান্তীয় ঘূর্ণবাতের নাম – a) তাইফু b) ইউলি ইউলি c) হ্যারিকেন d) বাগুই

উত্তর: c) হ্যারিকেন

2. বায়ুমণ্ডল এর প্রধান গ্যাসীয় উপাদান নাম – a) অক্সিজেন b) নাইট্রোজেন c) কার্বন ডাই অক্সাইড d) ওজোন 

উত্তর: b) নাইট্রোজেন

3. বায়ুমণ্ডল এর ওজোন গ্যাস কোন স্তরে ঘনীভূত অবস্থায় থাকে – a) স্ট্যাটোস্ফিয়ার b) মেসোস্ফিয়ার c) ট্রপোস্ফিয়ার d) আয়নোস্ফিয়ার 

উত্তর: a) স্ট্যাটোস্ফিয়ার

4. ট্রপোস্ফিয়ার ও স্ট্যাটোস্ফিয়ার এর মধ্যবর্তী সীমাকে বলে – a) ট্রপোপজ b) স্ট্যাটোপজ c) মেসোপজ d) আয়নোপজ

উত্তর: a) ট্রপোপজ

5. মেসোস্ফিয়ার স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে উষ্ণতা – a) বাড়ে b) কমে c) একই থাকে d) কোনোটিই নয়।

উত্তর: b) কমে

6. বায়ুমণ্ডল এ কি আছে বলে আকাশ নিল দেখায় – a) ওজোন b) অক্সিজেন c) নাইট্রোজেন d) ধূলিকণা

উত্তর: d) ধূলিকণা

7. বৈপরীত্য উত্তাপ লক্ষ্য করা যায় বায়ুমণ্ডল এর যে স্তরে সেটি হল – a) আয়নোস্ফিয়ার b) ট্রপোস্ফিয়ার c) স্ট্যাটোস্ফিয়ার d) মেসোস্ফিয়ার।

উত্তর: b) ট্রপোস্ফিয়ার

8. সূর্য থেকে আগত অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে- a) ওজোন b) আর্গন c) জেনন d) ক্রিপ্টন

উত্তর: a) ওজোন

9. স্বাভাবিক উষ্ণতা হ্রাসের হার দেখা যায় – a) স্ট্যাটোস্ফিয়ার b) থার্মোস্ফিয়ার c) ট্রপোস্ফিয়ার d) মেসোস্ফিয়ার

উত্তর: c) ট্রপোস্ফিয়ার

10. বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের শতকরা পরিমান – a) 20.19 শতাংশ b) 79.09 শতাংশ c) 78.08 শতাংশ d) 20.50 শতাংশ

উত্তর: c) 78.08 শতাংশ

11. ক্ষুব্ধমন্ডল বলা হয় – a) মেসোস্ফিয়ার b) ট্রপোস্ফিয়ার c) স্ট্যাটোস্ফিয়ার d) ম্যাগনেটোস্ফিয়ার

উত্তর: b) ট্রপোস্ফিয়ার

12. আবহাওয়া ও জলবায়ু নানা ঘটনা ঘটে – a) মেসোস্ফিয়ার b) আয়নোস্ফিয়ার c) স্ট্যাটোস্ফিয়ার d) ট্রপোস্ফিয়ার

উত্তর: b) ট্রপোস্ফিয়ার

13. বায়ুমণ্ডলে যে স্তরে মহকাশ থেকে আগত উল্কাপিন্ড পুড়ে ছাই হয়ে যায় তার নাম – a) ট্রপোস্ফিয়ার b) স্ট্যাটোস্ফিয়ার c) মেসোস্ফিয়ার d) আয়নোস্ফিয়ার

উত্তর: c) মেসোস্ফিয়ার

14. অতিবেগুনি রশ্মি শোষিত হয় – a) মেসোস্ফিয়ার b) ট্রপোস্ফিয়ার c) স্ট্যাটোস্ফিয়ার d) আয়নোস্ফিয়ার

উত্তর: c) স্ট্যাটোস্ফিয়ার

15. মেরুপ্রভা দেখা যায় – a) আয়নোস্ফিয়ার b) ম্যাগনেটোস্ফি়ার c) ট্রপোস্ফিয়ার d) মেসোস্ফিয়ার

উত্তর: a) আয়নোস্ফিয়ার

16. বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে উপরে যে স্তর রয়েছে – a) ম্যাগনেটোস্ফি়ার b) আয়নোস্ফিয়ার c) মেসোস্ফিয়ার d) ট্রপোস্ফিয়ার

উত্তর: a) ম্যাগনেটোস্ফি়ার

17. ওজোন গহ্বর তৈরি হয়েছে – a) নিরক্ষীয় অঞ্চলে b) সুমেরু অঞ্চলে c) কুমেরু অঞ্চলে d) ক্রান্তীয় অঞ্চলে 

উত্তর: c) কুমেরু অঞ্চলে

18. বেতর তরঙ্গ প্রতিফলিত হয় – a) মেসোস্ফিয়ার b) ম্যাগনেটোস্ফি়ার c)  থার্মোস্ফিয়ার d) ট্রপোস্ফিয়ার

উত্তর: c)  থার্মোস্ফিয়ার

19. বায়ুমণ্ডলে নিচের স্তরে জলীয়বাষ্প এর পরিমাণ – a) কম b) সবচেয়ে বেশি c) সবচেয়ে কম d) সামান্য বেশি

উত্তর: b) সবচেয়ে বেশি

20. বায়ুমণ্ডলে হেটেরোস্ফিয়ারের সর্বোচ্চ অংশ – a) হিলিয়াম স্তর b) পারমাণবিক হাইড্রোজেন স্তর c) পারমাণবিক অক্সিজেন স্তর d) অজৈব নাইট্রোজেন স্তর

উত্তর: b) পারমাণবিক হাইড্রোজেন স্তর

21. ভারতে কোন ধরনের বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশি – a) নিরক্ষীয় b) শৈলোৎক্ষেপ c) ঘূর্ণবাত d) এর , সবগুলি।

উত্তর: b) শৈলোৎক্ষেপ

22. 4 o’clock rain দেখা যায়- a) নিরক্ষীয় অঞ্চল b) ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল c) মহাদেশীয় অঞ্চল d) তুন্দ্রা জলবায়ু অঞ্চল

উত্তর: a) নিরক্ষীয় অঞ্চল

23. পৃথিবীর গড় অ্যালবেডো – a) 34 শতাংশ b) 40 শতাংশ c) 50 শতাংশ d) 66 শতাংশ

উত্তর: a) 34 শতাংশ

24. যে পরিমাণ সৌর শক্তি বায়ুমণ্ডল ও ভূপৃষ্ঠে সরাসরি মহাশূন্যে ফিরিয়ে দেয় – a) 30% b) 35% c) 64% d) 34% 

উত্তর: d) 34%

25. কার্যকরী সূর্যরশ্মির পরিমান হল – a) 34% b) 47% c) 66% d) 76% 

উত্তর: c) 66%

26. বৈপরীত্য উষ্ণতা দেখা যায় – a) সমভূমি তে b) মরুভমি অঞ্চলে c) পার্বত্য অঞ্চল d) নিম্নভূমি অঞ্চলে 

উত্তর: c) পার্বত্য অঞ্চল

27. সূর্য থেকে পৃথিবীর দিকে আসা  রশ্মির যে অংশ পুনরায় মহাশূন্যে ফেরত যায় তাকে কি বলে?

– a) অ্যালবেডো b) বিউফোর্ট c) বিকিরণ d) পরিচলন 

উত্তর: a) অ্যালবেডো

28. বায়ুমণ্ডল সর্বাধিক উষ্ণ হয় যে পদ্ধতিতে সেটি হল – a) পরিচলন b) পরিবহন c) বিকিরণ d) অ্যাডভেকশন

উত্তর: c) বিকিরণ

29. অ্যালবেডোর পরিমান সবচেয়ে বেশি হয় – a) বালির উপর b) তুষার ক্ষেত্রে c) বনভূমিতে d) জলভাগের উপর 

উত্তর: b) তুষার ক্ষেত্রে

30. বায়ুর উষ্ণতা কোন যন্ত্রের সাহায্যে মাপা হয় – a) ব্যারোমিটার b) অ্যানিমোমিটার c) থার্মোমিটার d) ক্যালোরিমিটার 

উত্তর: c) থার্মোমিটার

31. বৈপরীত্য উত্তাপে নেমে আসা বায়ু হল – a) ক্যাটাবেটিক বায়ু b) অ্যানাবেটিক বায়ু c) উষ্ণ বায়ু d) শীতল বায়ু 

উত্তর: a) ক্যাটাবেটিক বায়ু

32. আপেক্ষিক আদ্রতা সর্বাধিক হয় – a) দুপুরে b) সন্ধ্যাতে c) সকালে d)ভোর বেলাতে

উত্তর: d)ভোর বেলাতে

33. ভারতের একটি বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল হল – a) পশ্চিমঘাট পর্বতের পশ্চিম ঢাল b) পূর্বঘাট পর্বতের পূর্ব ঢাল c) হিমালয় দক্ষিণ ঢাল d) শিলং 

উত্তর: d) শিলং।

34. আপেক্ষিক আদ্রতা মাপা হয় যে যন্ত্রের সাহায্যে তা হল – a) হাইগ্রোমিটার b) ব্যারোমিটার c) থার্মোমিটার d) অল্টিমিটার

উত্তর: a) হাইগ্রোমিটার

35. মেঘাচ্ছন্নতা হিসাব করা যায় যে এককের সাহায্যে – a) নিম্বো b) সিরো c) অকটা d) অল্টো

উত্তর: c) অকটা

36. যে লেখচিত্রের উষ্ণতা নির্দেশক রেখাটি উত্তল সেটি অবশ্যই যে গোলার্ধের হবে তা হল – a) উত্তর গোলার্ধ b) দক্ষিণ গোলার্ধ c) পশ্চিম গোলার্ধ d) পূর্ব গোলার্ধ

উত্তর: a) উত্তর গোলার্ধ

37. সারা বছর উষ্ণতা বেশি এবং সামান্য বৃষ্টিপাতের লেখচিত্র থেকে বোঝা যায় সেটি যে জলবায়ু অঞ্চলের লেখচিত্র তা হল – a) নিরক্ষীয় জলবায়ুর b) মরু জলবায়ু c) মৌসুমি জলবায়ু d) তুন্দ্রা জলবায়ু

উত্তর: b) মরু জলবায়ু

38. আপেক্ষিক আদ্রতা পরিমাপ করা হয় – a) অক্টস b) নট c) শতকরা d) এর কোনোটিই নয়।

উত্তর: c) শতকরা

39. সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ – a) 1013.2 মিলিবার b) 1013.5 মিলিবার c) 1013.8 মিলিবার d) 1013.9 মিলিবার

উত্তর: a) 1013.2 মিলিবার।

40. ভূপৃষ্ঠে সমান উষ্ণতা বিশিষ্ট স্থান গুলি কে যুক্ত করে যে রেখা তাকে বলে – a) সমোন্নতি রেখা b) সামষ্ণ রেখা c) সমপ্রেষরেখা d) সমআদ্ররেখা

উত্তর:  b) সামষ্ণ রেখা

41. বায়ুর চাপ মাপা হয় যে যন্ত্রের সাহায্যে তা হল – a) ব্যারোমিটার b) থার্মোমিটার c) হাইগ্রোমিটার d)  ক্যালরিমিটার

উত্তর: a) ব্যারোমিটার

42. নিচের কোনটি বায়ুপ্রবাহের কারণ নয়  – a) বায়ু চাপের তারতম্য b) উষ্ণতার তারতম্য c) পৃথিবীর আবর্তন d) ফেরেলের সূত্র

উত্তর: d) ফেরেলের সূত্র

43. কোরিওলিস বল সবথেকে বেশি অনুভূত হয় – a) নিরক্ষরেখা b) মধ্য অক্ষাংশের c) ভূপৃষ্ঠ থেকে একটু উপরে d) মেরুতে

উত্তর: d) মেরুতে।

44. একটি সাময়িক বায়ু হলো – a) মৌসুমী বায়ু b) লু বায়ু c) আয়ন বায়ু d) পশ্চিমা বায়ু

উত্তর: a) মৌসুমী বায়ু

45. স্থল বায়ুর বেগ বেশি হয় – a) ভোরবেলা b)  সন্ধ্যেবেলা c) দুপুরবেলা d) বিকেল বেলা

উত্তর: a) ভোরবেলা

46. প্রতি ঘুর্ণবাতের কেন্দ্র সব সময় – a) সমচাপ b)  উচ্চচাপ c) নিম্নচাপ d) চাপ হীন

উত্তর: c) নিম্নচাপ

47. চিনুক বায়ু কোন পার্বত্য অঞ্চলে প্রবাহিত হয় ? – a) আল্পস b) রকি c) আন্দিজ d) হিমালয়

উত্তর – b) রকি

48. একটি শীতল স্থানীয় বায়ু হলো – a) লু b) খামসিন c) পম্পেরো d) সিরক্ক 

উত্তর: c) পম্পেরো

49. একটি উষ্ণ স্থানীয় বায়ু হলো – a) বোরা b) লু c) কালবৈশাখী d) পম্পেরো

উত্তর: b) লু

50. অ্যানিমোমিটারের সাহায্যে পরিমাপ করা হয় – a)  বায়ুর চাপ b) বায়ুপ্রবাহের দিক c) বায়ু প্রবাহের গতিবেগ d) কোনটিই নয়

উত্তর: c) বায়ু প্রবাহের গতিবেগ

51. মানচিত্রে সমান বৃষ্টিপাত যুক্ত স্থান গুলিকে যে রেখার সাহায্যে দেখানো হয় তাকে বলা হয় – a) সমষ্ণ রেখা b) সমবর্ষণ রেখা c) সমপ্রেষ রেখা d) সমোচ্চ রেখা

উত্তর: b) সমবর্ষণ রেখা

52. পাহাড়ে প্রতিবাদ ঢালে যে বৃষ্টিপাত হয় – a) পরিচলন b) শৈলোৎক্ষেপ c) ঘূর্ণিবাত d) এর কোনোটিই নয়

উত্তর: b) শৈলোৎক্ষেপ।

53. পৃথিবীর জলরাশির চক্রাকার আবর্তনের নাম – a) নদী b) বাষ্পীভবন c) জলচক্র d) তুষার

উত্তর: c) জলচক্র

54. যে প্রক্রিয়ায় জল মাটির নিচে প্রবেশ করে তাকে বলে – a) অনুস্রাবণ b) ঘনীভবন c) সঞ্চয়ন d) বাষ্পীভবন

উত্তর: a) অনুস্রাবণ

55. পরিপৃক্ত বায়ুর উষ্ণতা শীশীরাঙ্কের নিচে নেমে গেলে কি হয় – a) বাষ্পীভবন b) অধঃক্ষেপণ c)  ঘনীভবন d) তুষারপাত

উত্তর: c)  ঘনীভবন 

56. পরিপৃক্ত বায়ুর আদ্রতা হল – a) 40% b) 100% c) 10% d) 85% 

উত্তর: b) 100%

57. সম্পৃক্ত বায়ুর আপেক্ষিক আদ্রতা হল – a) ৭০% b) ৮০% c) ৯০% d) ১০০% 

উত্তর:  d) ১০০% 

58. নিরক্ষীয় অঞ্চলে যে ধরনের বৃষ্টিপাত হয় তা হল – a) পরিচলন বৃষ্টি b) শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি c) ঘূর্ণবাত বৃষ্টি d)শিলা বৃষ্টি

উত্তর:a) পরিচলন বৃষ্টি

      __________________________________________________________

শূন্য়স্থান পূরন করো   :   প্রশ্নমান-1 

1. পৃথিবীর চৌম্বক বর্ম বলা হয় ম্যাগনেটোস্ফি়ার স্তরকে

2. ওজোন স্তর কে প্রাকৃতিক সৌরপর্দা বলে। 

3. উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে উষ্ণতা বাড়লে তাকে বৈপরীত্য উত্তাপ বলে ।

4. পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়াকে বিশ্ব উষ্ণায়ন বলে।

5. কর্কটিও শান্ত বলাকে অশ্ব অক্ষাংশ বলে।

6. উষ্ণতা কমে গেলে বায়ুর চাপ বেড়ে যায়।

7. বায়ুর চাপের ঢাল বাড়লে বায়ুর গতিবেগ বেড়ে যায়।

8. মেরু অঞ্চলের বায়ুতে জলীয় বাষ্প কম থাকে তাই বায়ুর চাপ বেশি হয়।

9. কোরিওলিস বল কে আর জে নামে ডাকা হয় তা হল ছদ্ম বল। 

10. বায়ুপ্রবাহের দিক নির্ণয় করা হয় বাত পতাকা এর সাহায্যে।

11. উঁচু আকাশে পশ্চিম দিক থেকে যে বায়ু খুব দ্রুত প্রবাহিত হয় তাকে বলে জেট বায়ু

12. ক্যালিফোর্নিয়ায় যে উষ্ণ বায়ু শীতকালে প্রবাহিত হয় তার নাম সান্টাআনা

13. ঘূর্ণবাত যাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয় তাকে চক্ষু বলে।

14. বর্ষাকালে ভারতে যে জেট বায়ু প্রবাহিত হয় তাকে পূবালী জেট বলে। 

15. বায়ুর আপেক্ষিক আদ্রতা ১০০ শতাংশ হলে সেই বায়ুকে সম্পৃক্ত বায়ু বলে।

16. বৃষ্টির সাথে সাথে বিভিন্ন আয়তনের বরফের টুকরো পড়াকে শিলাবৃষ্টি বলে।

17. শিশির জমে বরফে পরিণত হলে তাকে তুহিন বলে।

18. যে পদ্ধতিতে জল বাষ্পে পরিণত হয় তাকে বাষ্পীভবন বলে।

19. যে বায়ুতে জলীয় বাষ্প বেশি থাকে তাকে আদ্র বায়ু বলে।

20. দোয়া এবং কুয়াশা মিলে তৈরি হয় ধোঁয়াশা

21. সমান উষ্ণতমাপক রেখাগুলিকে সমস্নোরেখা বলে।

22. কোন স্থান এর উষ্ণতা বৃষ্টিপাত লেখচিত্রে উষ্ণতার রেখাটি বছরের মধ্যভাগে নিম্নমুখী হলে স্থানটি দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত।

23. বায়ু প্রবার গতিবেগ নির্ণয় করা হয় অ্যানিমোমিটার  যন্ত্রের সাহায্যে।

24. বায়ুচাপের ঢাল বৃদ্ধি পেলে বায়ুর গতিবেগ বৃদ্ধি পায়।

25. শীতকালে শিল্পাঞ্চলে জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে ধূলিকণার সঙ্গে মিশে তৈরি হয় ধোঁয়াশা

26. ক্রান্তীয় পূবালী জেট বায়ু দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুকে ভারতে আসতে বাধ্য করে।

____________________________________________________

Class 10 Geography Chapter 2 Question Answer

একটি বা দুটি শব্দে উত্তর দাও   :      প্রশ্নমান- 1

1. যে সৌরশক্তি পৃথিবী দিকে আসে তাকে কি বলে ?

উত্তর: ইনসোলেশন।

2. কোথায় তাপমাত্রা সারা বছর বেশি থাকে ?

উত্তর: নিরক্ষীয় অঞ্চলে।

3. দক্ষিণ গোলার্ধে পর্বতের কোন ঢাল বেশি উষ্ণ থাকে ?

উত্তর: উত্তর ঢাল।

4. সমুদ্র সংলগ্ন এলাকায় জলবায়ু কি ধরনের ?

উত্তর: সমভাবাপন্ন।

5. শীতকালে চাপ নির্দেশক রেখা গুলি কে কি বলে ?

উত্তর: সমপ্রেষ রেখা।

6. বায়ু মাপার একক কি ?

উত্তর: মিলিবার।

7. কোন যন্ত্রের সাহায্যে বায়ুর গতিবেগ পরিমাপ করা হয় ?

উত্তর: অ্যানিমোমিটার।

8. বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে জেট বিমান যাতায়াত করে?

উত্তর : ট্রপোস্ফিয়ারে

9. সম্পৃক্ত বায়ুর আপেক্ষিক আদ্রতা পরিমাণ উল্লেখ কর।

উত্তর: 100 শতাংশ

10. নাতি সুতাস্না মন্ডলে কোন ধরনের বৃষ্টিপাত দেখা যায় ?

উত্তর: ঘূর্ণবাত জনিত বৃষ্টি। 

_________________________________________

Class 10 Geography Bayumondol Question Answer

সংক্ষিপ্ত উত্তর ভিত্তিক প্রশ্ন :  প্রশ্নমান – 2

1. চিনুক কি? 

উত্তর: ‘Chinook’ যার অর্থ তুষার ভক্ষক উত্তর আমেরিকার রকি পার্বত্য অঞ্চলের পূর্ব ঢাল বেয়ে যে উষ্ণ ও শুষ্ক বায়ু নিচের দিকে নেমে আসে এবং এর ফলে বহু তুষার গলে যায় এই বায়ু কে চিনুক বলে। এটি একটি স্থানীয় বায়ু। 

2. বৈপরীত্য উত্তাপ কাকে বলে ?

উত্তর: ভূপৃষ্ঠে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে উষ্ণতা হ্রাস পায়। একে তাপমাত্রার স্বাভাবিক হ্রাস বলে কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে উষ্ণতাও বৃদ্ধি পায়। এই উষ্ণতার হ্রাসের স্বাভাবিক সম্পর্কের বিপরীত অবস্থাকে বৈপরীত্য উত্তাপ বলে।

3. অশ্ব অক্ষাংশ কাকে বলে ? 

উত্তর: উভয় গোলার্ধেক কর্কটীয় ও মকরীয় শান্তবলয় কে অশ্ব অক্ষাংশ বলে।

নামকরণ: প্রাচীনকালে মধ্য-প্রাচ্য ও ইউরোপ থেকে আসা ঘোড়া বোঝাইকারি পালতোলা জাহাজগুলি পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ ও উত্তর আমেরিকায় যাওয়ার সময় উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের কর্কটীয় উচ্চচাপ শান্ত বলয় এসে গতিহীন হয়ে পড়তো। সেই সময় খাদ্য, পানীয় জলের অভাব মেটাতে ও জাহাজ হালকা করতে ঘোড়া জলে ফেলে দিত এই কারণেই উপক্রান্তীয় শান্তবলয়কে অশ্ব অক্ষাংশ বলা হয়।

4. ক্যাটাবেটিক বায়ু কাকে বলে? 

উত্তর: পার্বত্য শান্ত আবহাওয়ায় রাতের বেলায় শীতল ও ভারী বায়ু পর্বতের ঢাল বরাবর নিচের দিকে নামতে থাকে। একে ক্যাটারেটিক বায়ু বলে।

5. অ্যানাবেটিক বায়ু কাকে বলে? 

উত্তর: পার্বত্য শান্ত আবহাওয়ায় দিনের বেলায় উষ্ণ হালকা বায়ু পর্বতের ঢাল বরাবর উপরের দিকে উঠতে থাকে। একে অ্যানাবেটিক বায়ু বলে। 

6. গ্রীন হাউস এফেক্ট কাকে বলে?

উত্তর : বায়ুমন্ডলে উপস্থিত গ্রিনহাউস গ্যাস মূলত কার্বন-ডাই-অক্সাইডের ঘনত্ব বৃদ্ধির ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির ঘটনাকে গ্রীন হাউস এফেক্ট বলে।

গ্রিনহাউস গ্যাস (কার্বন-ডাই-অক্সাইড, মিথেন, ক্লোরোফ্লুরো কার্বন ইত্যাদির) ফলে সূর্যের ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ ভূপৃষ্ঠে প্রতিফলিত হওয়ার পর মহাশূন্যে ফেরত যেতে পারে না। যার ফলে তাপমাত্রা বাড়ে।

7. সমোষ্ণরেখা কাকে বলে? 

উত্তর: ভূষ্ঠের সমান উষ্ণতা যুক্ত স্থানগুলিকে মানচিত্রে যে কাল্পনিক রেখা দ্বারা যুক্ত করা হয়, তাকে সমোষ্ণ রেখা বলে।

8. ইনসোলেশান কি? 

উত্তর: সূর্য থেকে বিকিরিত শক্তির যে ২০০ কোটি ভাগের একভাগ ক্ষুদ্র তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ রূপে পৃথিবীতে এসে পৌঁছায় ফলে ভূপৃষ্ঠ এবং বায়ুমণ্ডল উষ্ণ হয়। একে সূর্য রশ্মির তাপীয় ফল বা ইনসুলেশন বলে।

9. বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল কাকে বলে?

উত্তর : সামুদ্রিক বায়ু পর্বতের প্রতিবাদ ঢালে বৃষ্টিপাত ঘটানোর পর যখন অনুবাত ঢালে আসে তখন জলীয় বাষ্পের অভাবে অনুগত ঢালে বৃষ্টিপাত ঘটাতে পারে না। এই বৃষ্টিহীন এলাকা কে বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল বলে।

10.  সমবর্ষণ রেখা কাকে বলে? 

উত্তর: পৃথিবীর সমান বৃষ্টিপাতযুক্ত স্থানগুলিকে মানচিত্রে যে কাল্পনিক রেখা দ্বারা যুক্ত করা হয় তাকে সমবর্ষণ রেখা বলে।

11. জলচক্র কাকে বলে?

উত্তর : যে চক্রাকার পদ্ধতিতে জল – কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অবস্থার মধ্যে দিয়ে শিলামন্ডল, বারিমন্ডল ও বায়ুমন্ডলের মধ্যে আবর্তিত হয়ে যায় যার ফলে জলের ভারসাম্য রক্ষা থাকে তাকে জলচক্র বলে।

12. অ্যাডভেকশন কাকে বলে ? 

উত্তর: ভূপৃষ্ঠের সমান্তরালে অনুভূমিক বায়ুপ্রবাহের মাধ্যমে তাপ সঞ্চালন প্রক্রিয়াকে অ্যাডভেকশন বলে, এর ফলে উষ্ণ অঞ্চলের উষ্ণ বায়ু শীতল অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়।

13. অ্যালবেডো কি?

উত্তর: সূর্য থেকে আগত ১০০ শতাংশ ইনসলেশনের মধ্যে যে ৩৪ শতাংশ বায়ুমণ্ডল কে উত্তপ্ত না করে ক্ষুদ্র তরঙ্গ রূপে বায়ুমণ্ডলে মেঘ ও ভূপৃষ্ঠে বিচ্ছুরিত-প্রতিফলিত হয়ে মহাশূনে ফিরে যায় তাকে অ্যালবেডো বলে। 

14. নিরপেক্ষ বা চরম আদ্রতা কাকে বলে? 

উত্তর : কোন নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে যে পরিমাণ জলীয় বাষ্প আছে তাকে নিরপেক্ষ আর্দ্রতা বলে।

15. বিশেষ বা নির্দিষ্ট আদ্রতা কাকে বলে?

উত্তর:  নির্দিষ্ট ওজনের বায়ুতে যত ওজনের জলীয় বাষ্প আছে তাকে বিশেষ বা নির্দিষ্ট আদ্রতা বলে। 

16. আপেক্ষিক আদ্রতা কাকে বলে?

উত্তর : কোন নির্দিষ্ট উষ্ণতায় ও চাপে নির্দিষ্ট পরিমাণ বায়ুতে প্রকৃত জলীয় বাষ্পের পরিমাণ এবং ওই নির্দিষ্ট উষ্ণতায় নির্দিষ্ট বায়ুর সর্বোচ্চ জলীয় বাষ্প ধারণ করার ক্ষমতার অনুপাতকে আপেক্ষিক আদ্রতা বলে। 

17. সম্পৃক্ত বায়ু বলতে কী বোঝো?

উত্তর: কোন নির্দিষ্ট উষ্ণতায় নির্দিষ্ট পরিমাণ বায়ুর সর্বোচ্চ জলীয় বাষ্প গ্রহণ করার ক্ষমতা কে সম্পৃক্ত বায়ু বলে।

18. ঘনীভবন কাকে বলে?

উত্তর : বায়ুর উষ্ণতা শিশিরাঙ্ক উষ্ণতার নিচে নামলে জলীয় বাষ্প জলকণায় বা বরফ কণায় পরিণত হয়, একেই ঘনীভবন বলে।

19. অধঃক্ষেপন কাকে বলে? 

উত্তর: বায়ুমন্ডলে উপস্থিত জলীয়বাষ্প ঘনীভবনের মাধ্যমে কঠিন ও তরল অবস্থায় পৌঁছালে তা মাধ্যাকর্ষণের শক্তির টানে ভূপৃষ্ঠে নেমে আসে একেই অধঃক্ষেপণ বলে।

20.  জেট বায়ুর বৈশিষ্ট্য লেখ।

উত্তর: জেট বায়ুর বৈশিষ্ট্য :- 

  1. জেট বায়ু ঊর্ধ্ব বায়ুমন্ডলে ৭.৫ থেকে ১৪ কিমি উচ্চতায় প্রভাবিত হয়, পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে।
  2. জেট বায়ু অত্যন্ত শক্তিশালী এবং দ্রুতগতি সম্পন্ন। এর গতিবেগ প্রতি ঘন্টায় ১০০ থেকে ৫০০ কিমি।

_________________________________________________

দশম শ্রেণীর ভূগোল দ্বিতীয় অধ্যায় বড় প্রশ্ন উত্তর

ব্য়খ্যামূলক উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন   :   প্রশ্নমান – 3

1. ঘূর্ণবাত এবং প্রতিপ ঘুর্নবাতের মধ্যে পার্থক্য।

উত্তর:

বিষয়ঘূর্ণবাতপ্রতিপ ঘুর্নবাত
চাপঘুর্নবাতের বাইরে উচ্চচাপ ও কেন্দ্রে  নিম্নচাপ। প্রতীপ ঘূর্ণবাতের বাইরে নিম্নচাপ ও কেন্দ্র উচ্চচাপ।
স্থায়ীত্বঘূর্ণবাত অল্প সময়ের জন্য স্থায়ী থাকে। দুই থেকে তিন দিন।প্রতীপ ঘূর্ণবাত অনেক দিনের জন্য স্থায়ী থাকে।
গতিপ্রবল গতিবেগ সম্পূর্ণ ঝড় বৃষ্টি হয়।গতি কম, শান্ত আবহাওয়া।
কেন্দ্রের বায়ুকেন্দ্রের বায়ু উষ্ন ও উর্ধ্বগামীকেন্দ্রের বায়ু শীতল ও নিম্নগামী।

2. স্থল বায়ু ও সমুদ্র বায়ুর মধ্যে পার্থক্য।

উত্তর: 

বিষয়স্থলবায়ুসমুদ্র বায়ু
সময় এই বায়ু রাতের বেলায় প্রবাহিত হয়।এই বায়ু দিনের বেলায় প্রবাহিত হয়। 
চাপএই বায়ু স্থলভাগে উচ্চচাপ এবং সমুদ্রে নিম্নচাপ।এই বায়ু স্থলভাগে নিম্ন এবং সমুদ্রে উচ্চচাপ।
দিকস্থলভাগ থেকে সমুদ্রের দিকে প্রবাহিত হয়।সমুদ্র থেকে স্থলভাগের দিকে প্রবাহিত হয়।
প্রকৃতিএই বায়ু স্থলভাগে উৎপত্তি হওয়ায় শুষ্ক।সমুদ্রে উৎপত্তি হওয়ায় আদ্র প্রকৃতির।

9. উচ্চ স্থান শীতল হয় কেন? বা, পর্বত চূড়া তুষারাবৃত থাকে কেন? বা, ট্রপোস্ফিয়ারে উচ্চতা বৃদ্ধিতে উষ্ণতা হ্রাস পায় কেন?

উত্তর: ট্রপোস্ফিয়ারে উচ্চতা বৃদ্ধিতে উষ্ণতা হ্রাস পাওয়ার কারণ:

  1. ভূপৃষ্ঠ উষ্ণকরণ : সূর্য রশ্মি দ্বারা বায়ুমণ্ডল সরাসরি উত্তাপ হয় না। প্রথমে ভূপৃষ্ঠ উষ্ণ হয় এবং এই ভূপৃষ্ঠের বিকিরিত উত্তাপ দ্বারা উপরে উঠে আসে কিন্তু এতে বায়ুর সামান্য অংশই উষ্ণ হয়।
  2. ঘনত্ব : উপরের দিকে বায়ু ক্রমশ হালকা ও পাতলা হয় এবং নিচের বায়ু ঘন ও ভারী। ফলে হালকা বায়ু দ্রুত তাপ বিকিরণ করে শীতল হয়ে যায়।
  3. চাপ : উপরে বায়ুর পরিমাণ হ্রাস পাওয়ায় চাপ কম যার ফলে উষ্ণতা কম। 
  4. তাপ শোষণ ও সংরক্ষণ: বায়ুর উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুতে জলীয় বাষ্প, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ওজন, মিথেন ইত্যাদি এর পরিমাণ কম হয় যার ফলে তাপ শোষণ ও সংরক্ষণ ক্ষমতা কম।

10. জলভাগের তুলনায় স্থলভাগ দ্রুত উষ্ণ ও দ্রুত শীতল হয় কেন ?

উত্তর: জলভাগের তুলনায় স্থলভাগ দ্রুত উষ্ণ ও দ্রুত শীতল হওয়ার কারণ গুলি হল :- 

  1. পরিচলন: পরিচলন পদ্ধতিতে সূর্য উত্তাপ জলরাশির গভীরে চলে যায় কিন্তু স্থলভাগে পরিচলন পদ্ধতিতে তাপ চলাচল করতে পারে না। ফলে তাপ ওপরে সঞ্চিত্ব হয়ে বায়ু গরম করে
  2. বিচ্ছুরণ: জলভাগের তুলনায় স্থলভাগ থেকে কম সূর্যরশ্মি বিচ্ছুরিত হয়। যার ফলে স্থলভাগ দ্রুত গরম হয়।
  3. তাপগ্রহীতা: জলভাগের তুলনায় স্থলভাগের তাপগ্রহীতা বেশি হওয়ায় স্থলভাগ দ্রুত তাপ গ্রহণ ও ত্যাগ করে এবং জলভাগ ধীরে ধীরে তাপ গ্রহণ করে অনেকক্ষণ তাপ ধরে রাখতে পারে।

11. বায়ুমন্ডল উত্তপ্ত হওয়ার পদ্ধতি?

12. নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারা বছর ধরে পরিচালন বৃষ্টি হয় কেন ? 

উত্তর: নিরক্ষীয় অঞ্চলে জলভাগের পরিমাণ বেশি এবং সারা বছর ধরে সূর্য রশ্মী লম্বভাবে কিরণ দেওয়ায় বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি হয়। এই জলীয় বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ হালকা বায়ু দ্রুত উপরে উঠে শীতল ও ঘনীভূত হয়। যার ফলে কিউমুলোনিম্বাস মেঘ সৃষ্টি হয়। প্রত্যেক দিন বিকেলে চারটার দিকে প্রবল পরিচলন বৃষ্টিপাত হয়। এই বৃষ্টিপাতকে four o’clock rain বলে।

13. পরিচলন বৃষ্টিপাত কিভাবে সংঘটিত হয় তা চিত্র ও উদাহরণ সহযোগে ব্যাখ্যা কর

উত্তর: ভূপৃষ্ঠের অধিক উষ্ণতার ফলে উষ্ণ ও আদ্র বায়ু উপরে উঠে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে যে প্রবল বৃষ্টিপাত ঘটায় তাকে পরিচলন বৃষ্টিপাত বলে।

পদ্ধতি: অধিক জলভাগ যুক্ত অঞ্চলে সারা বছর ধরে সূর্য রশ্মী লম্বভাবে কিরণ দেওয়ায় বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি হয়। এই জলীয় বাষ্পপূর্ণ উষ্ণ হালকা বায়ু দ্রুত উপরে উঠে শীতল ও ঘনীভূত হয়। যার ফলে কিউমুলোনিম্বাস মেঘ সৃষ্টি হয়। প্রত্যেক দিন বিকেলে চারটার দিকে প্রবল পরিচলন বৃষ্টিপাত হয়। 

উদাহরণ: নিরক্ষীয় অঞ্চলে সারা বছর ধরে বিকেলের দিকে বৃষ্টিপাত হয়।

_______________________________________________________

রচনাধর্মী উত্তর ভিত্তিক প্রশ্ন   :  প্রশ্নমান – 5

1. নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয় এবং মেরু দেশীয় উচ্চচাপ বলয় সৃষ্টির কারণ লেখ। 

উত্তর: নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয় সৃষ্টির কারণ:- 

  1. উষ্ণ বায়ু: সারা বছর সূর্য রশ্মি লম্বভাবে কিরণ দেওয়ায় বায়ু উষ্ণ ও হালকা হয়ে উপরে উঠে।
  2. আদ্রতা: জলভাগের পরিমাণ বেশি হওয়ার সাথে সূর্যরশ্মি লম্বভাবে কিরণ দেওয়ায় বাষ্পীভবনের কারণে প্রচুর জলীয়বাষ্প সৃষ্টি হয় ফলে বায়ু হালকা ও আদ্র হয়।
  3. বায়ু বিক্ষেপ: ক্রান্তীয় অঞ্চলে আবর্তন গতি সর্বাধিক হওয়ার কারণে বায়ু দুই ক্রান্তীয় অঞ্চলের দিকে বিক্ষিপ্ত হয়। ফলে বায়ুর ঘনত্ব কমে এবং নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়। 

মেরু দেশীয় উচ্চচাপ বলয় সৃষ্টির কারণ:- 

  1. শীতল বায়ু: মেরু অঞ্চলে সারা বছর সূর্যের রশ্মি তির্যকভাবে পড়ায় এখানকার উষ্ণতা হিমাঙ্কের নিচে থাকে যার ফলে বায়ু শীতল এবং ভারী হয়।
  2. শুষ্ক বায়ু: তির্যক সূর্য রশ্মির কারণে উষ্ণতা হিমাঙ্কের নিচে এবং বরফ যুক্ত জলের কারণে বাষ্পীভবন না হওয়ায় এখানকার বায়ু বাষ্পহীন এবং শুষ্ক।
  3. বায়ুর নিমজ্জন: মেরু প্রদেশীয় নিম্নচাপ বলয়ের ঊর্ধ্বগামী বায়ুর কিছু অংশ এখানে নেমে আসার কারণে বায়ুর ঘনত্ব ও পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে চাপ বৃদ্ধি পায়।

2. ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলের অবস্থান এবং বৈশিষ্ট্য গুলি লেখ।

উত্তর: 

অক্ষাংশ: উভয় গোলার্ধে ৩০ ডিগ্রি থেকে ৪৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে এই জলবায়ু অবস্থিত।

অবস্থান :

  1. ইউরোপের পর্তুগাল, স্পেন, ইটালি।
  2. আফ্রিকার মরক্কো, লিবিয়া।
  3. এশিয়ার লেবানন, ইজরায়েলে প্রভৃতি স্থানে এই জলবায়ু দেখা যায়। 

বৈশিষ্ট :- 

  1. এখানকার গ্রীষ্মকালীন তাপমাত্রা হল 20 থেকে 27 ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড।
  2. শীতকালীন তাপমাত্রা 5 ডিগ্রি থেকে 15 ডিগ্রি সেলসিয়াস।
  3. বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ৪০ থেকে ৯০ সেমি।
  4. গ্রীষ্মকাল শুষ্ক এবং শীতকাল আদ্র হয়।
  5. সারা বছর নাতিশীতোষ্ণ মনোরম জলবায়ু বিরাজ করে।

3. ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু অঞ্চলের অবস্থান এবং বৈশিষ্ট্য গুলি লেখ।

উত্তর: 

অক্ষাংশ: নিরক্ষরেখার উভয়দিকে ১০ ডিগ্রী থেকে ৩০ ডিগ্রি উত্তর দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যেই এই জলবায়ু অবস্থিত।

অবস্থান: দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মায়ানমার, প্রভৃতি অঞ্চলেই এই জলবায়ু দেখা যায়।

বৈশিষ্ট্য:

  1. এই জলবায়ুর গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা থাকে 27 ডিগ্রি থেকে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
  2. শীতকালের তাপমাত্রা থাকে ১০° থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
  3. বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১০০ থেকে ২০০ সেমি।
  4. সর্বত্র বৃষ্টিপাতের পরিমাণ সমান নয় কোথাও অধিকাংশে আবার কোথাও খুব কম।
  5. এখানকার জলবায়ু মৌসুমী বায়ু দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

4. নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের অবস্থান ও বৈশিষ্ট্য গুলি লেখ। 

উত্তর: 

অক্ষাংশ: নিরক্ষরেখার উভয় দিকে 5 ডিগ্রি থেকে 10 ডিগ্রী অক্ষাংশের মধ্যে নিরক্ষীয় জলবায়ু রয়েছে।

অবস্থান : 

  1. এশিয়ার, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া।
  2. আফ্রিকার গ্যাবোন, কঙ্গো, গিনি উপকূল।
  3. দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন, বলিভিয়া।
  4. এবং মধ্য আমেরিকার হন্ডুরাস, পানামা প্রভৃতি স্থানে এই জলবায়ু দেখা যায়।

বৈশিষ্ট্য :- 

  1. এখানকার বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ২০০ থেকে ২৫০ সেমি।
  2. বার্ষিক গড় উষ্ণতা ২৫ ডিগ্রি থেকে ২৭ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড।
  3. বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি।
  4. সারা বছর সূর্যরশ্মি লম্বভাবে কিরণ দেয়।
  5. প্রতিদিন বিকেলে চারটের সময় বৃষ্টিপাত হয়।
  6. সারা বছর ধরে একটি ঋতু থাকে।

5. বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাব গুলি সংক্ষেপে আলোচনা কর।

উত্তর: বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাব:

  1. পৃথিবীর গড় উষ্ণতা বৃদ্ধি: বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রধান প্রভাব হল পৃথিবীর উত্তাপের সামতা নষ্ট হয়ে গেয়ে বার্ষিক গড় উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। শিল্প বিপ্লবের পর থেকে উষ্ণতা দ্রুত হারে বেড়ে চলেছে
  2. পার্বত্য মেরু হিমবাহের গলন: বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এবং উষ্ণতা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে মেরু অঞ্চলের এবং পার্বত্যের হিমবাহ গলে যাচ্ছে। আন্টার্টিকার লার্সেন আইস সেলফ গলে গেছে। ভারতের গঙ্গোত্রী, যমুনোত্রী হিমবাহ ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছে।
  3. সমুদ্র জলাশয়ের উচ্চতা বৃদ্ধি: মেরু অঞ্চলের বরফের গলনের ফলে এবং পার্বত্য হিমবাহ গলনের ফলে সমুদ্র জলতলের উচ্চতা ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ১° সেলসিয়াস উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে উচ্চতা 10 থেকে 12 সেমি বেড়েছে।
  4. অধঃ ক্ষেপণের প্রকৃতি পরিবর্তন: উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে বাষ্পীভবনের মাত্রা বৃদ্ধি পায় যার ফলে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণও বেড়ে যায়। ফলে বৃষ্টিপাত, তুষারপাত, শিলাবৃষ্টি হবে। কোথাও অধিক বৃষ্টি আবার কোথাও ক্ষরা সৃষ্টি হবে।
  5. শস্য উৎপাদনে হ্রাস বৃদ্ধি :  বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কৃষি জমি কমে যাবে ধান গমের মতো প্রধান খাদ্য শস্যের উৎপাদন কমবে। আবার আখ, জোয়ার, বাজরা উৎপাদন বাড়বে।
  6. কৃষি পদ্ধতির পরিবর্তন : জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে সাথে কৃষি পদ্ধতির পরিবর্তন ঘটবে। উচ্চ অক্ষাংশের দিকে কৃষি ক্রমশ বিস্তৃত হবে।

6. বায়ুমন্ডলের স্তরবিন্যাস টি দেখবে।

___________________________________________

পরের অধ্যায়ে সাজেশন

Class 10 Geography Bayumondol Question Answer PDF

এই দশম শ্রেণ দ্বিতীয় অধ্যায় বায়ুমণ্ডল থেকে সাজেশন প্রশ্ন-উত্তর এর পিডিএফটি নিচে দেওয়া হলো।

Leave a Comment