হারিয়ে যাওয়া কালি কলম প্রশ্ন উত্তর সাজেশন 2024 PDF | Hariye Jao Kali Kolom Question

হারিয়ে যাওয়া কালি কলম প্রশ্ন উত্তর সাজেশন PDF , হারিয়ে যাওয়া কালি কলম প্রশ্ন উত্তর mcq, হারিয়ে যাওয়া কালি কলম বড় প্রশ্ন উত্তর.

লেখক নিখিল সরকার রচিত ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম‘ প্রবন্ধ থেকে কেবলমাত্র সাজেশন ভিত্তিক প্রশ্ন উত্তর এখানে দেয়া হলো। যা ২০২৪ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ.

         হারিয়ে যাওয়া কালি কলম : শ্রীপান্থClass- 10 : সাজেশন

হারিয়ে যাওয়া কালি কলম প্রশ্ন উত্তর

শ্রেণীদশম শ্রেণী (মাধ্যমিক)
বিষয়মাধ্যমিক বাংলা
প্রবন্ধহারিয়ে যাওয়া কালি কলম
লেখকনিখিল সরকার
প্রশ্নের ধরনOnly সাজেশন ভিত্তিক
Targetমাধ্যমিক 2024

হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রশ্ন উত্তর এর মধ্যে MCQ এবং SAQ প্রশ্ন মিলিয়ে মোট 46 টি প্রশ্ন রয়েছে এবং বড় প্রশ্ন রয়েছে পাঁচ নম্বরের 5 টি

‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ important important প্রশ্নোত্তর গুলি নিচে দেওয়া হল সাথে এর একটি PDF রয়েছে যা প্রশ্নোত্তরের পরে দেওয়া হয়েছে.

হারিয়ে যাওয়া কালি কলম প্রশ্ন উত্তর mcq

সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো: (প্রশ্নমান-১)

1। “অনেক ধরে ধরে টাইপ রাইটারে লিখে গেছেন মাত্র একজন।”-কার কথা বলা হয়েছে? 

উত্তর: হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধ থেকে গৃহীত আলোচ্য অংশটিতে বিখ্যাত লেখক অন্নদাশঙ্কর রায়ের কথা বলা হয়েছে।

2। “কলম তাদের কাছে আজ অস্পৃশ্য।”—কাদের কাছে অস্পৃশ্য ?

উত্তর: কলম বাসে, ট্রেনে বা ট্রামে ওঠা পকেটমারদের কাছে আজ অস্পৃশ্য। 

3। “সোনার দোয়াত কলম যে সত্যই হতো।” –বক্তা সোনার দোয়াত কলমের কথা কীভাবে জেনেছিলেন ? 

উত্তর: ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক শ্রীপান্থ সুভো ঠাকুরের দোয়াত সংগ্রহ দেখে জেনেছিলেন, সোনার দোয়াত কলম সত্যই হত।

4। ‘কুইল’ কাকে বলে?

উত্তর: পালকের কলমের ইংরেজি নাম কুইল।

5। “আশ্চর্য, সবই আজ অবলুপ্তির পথে। ” — আজ কী অবলুপ্তির পথে? 

উত্তর: নানা ধরনের ফাউন্টেন পেন, কালি, দোয়াত, কলমদানি – এসবই আজ অবলুপ্তির পথে।

6।পালকের কলমের ইংরেজি নাম হল-  কুইল।

7। নিজের হাতে কলম বুকে ফোটে গিয়ে কে মারা গেছে?

উত্তর:  ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়।

8। লেখক শ্রীপান্থের ছেলেবেলায় দেখা দারোগাবাবুর কলম থাকত— পায়ের মোজায় গোঁজা।

9। উনিশ শতকে বত্রিশ হাজার অক্ষর লেখানো যেত—  বারো আনায়।

10। “তাই নিয়ে আমাদের প্রথম লেখালেখি ।”— কী নিয়ে লেখকদের প্রথম ‘লেখালেখি’ ?

উত্তর: লেখকদের প্রথম লেখালেখি ছিল বাঁশের কঞ্চির কলম, মাটির দোয়াত, ঘরে তৈরি কালি আর কলাপাতা নিয়ে।

11। “লাঠি তোমার দিন ফুরাইয়াছে।”—কথাটি কে বলেছিলেন? 

উত্তর: আলোচ্য কথাটি বলেছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

12। ‘কঙ্কাবতী’ ও ‘ডমরুধর’-এর স্বনামধন্য লেখকের নাম-  ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়।

13। “এই নেশা পেয়েছি আমি শরৎদার কাছ থেকে।”—কোন্ নেশার কথা বলা হয়েছে?

উত্তর: ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ফাউন্টেন পেন সংগ্রহের নেশার কথা বলা হয়েছে।

14। “সোনার দোয়াত কলম যে সত্যই হতো” তা লেখক কীভাবে জেনেছিলেন?

উত্তর: লেখক শ্রীপান্থ সুভো ঠাকুরের সোনার দোয়াত সংগ্রহ দেখে জেনেছিলেন, দোয়াত-কলম সত্যই সোনার হয়।

15। দোকানদার লেখককে কলম বিক্রি করার আগে কী জাদু দেখিয়েছিলেন?

উত্তর: ফাউন্টেন পেন কিনতে গিয়ে দোকানদার লেখককে একটি পাইলট পেনের ঢাকনাটি খুলে সেটিকে ছুরির মতো একটা বোর্ডের দিকে নিক্ষেপ করে দেখিয়েছিলেন, তার নিব কেমন অক্ষত এবং তাতে লিখতে কোনো অসুবিধা নেই। এই বিষয়টিকেই দোকানদারের জাদু দেখানো বলা হয়েছে।

16। নিজের কলমের মান মর্যাদা কে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন?

উত্তর: সত্যজিৎ রায়।

17। হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’-এ বর্ণিত সবচেয়ে দামি কলমটির কত দাম ?

উত্তর: ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’-এ বর্ণিত সবচেয়ে দামি কলমটির দাম আড়াই হাজার পাউন্ড।

18। “আমরা ফেরার পথে কোনও পুকুরে তা ফেলে দিয়ে আসতাম।”- বক্তা কেন তা পুকুরে ফেলে দিতেন?

উত্তর: বক্তা অর্থাৎ প্রাবন্ধিক শ্রীপান্থ ছোটোবেলায় হোমটাস্ক করা কলাপাতাগুলি স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে পুকুরে ফেলে দিয়ে আসতেন কারণ, সেগুলি অন্য কোথাও ফেললে গোরুতে খেয়ে নিতে পারে আর তাতে অমঙ্গলের সম্ভাবনা থাকে।

19। চিনারা চিরকালই লেখার জন্য ব্যবহার করে আসছে— তুলি।

20। “শ্রীপাল্ব’ ছদ্মনামে লিখেছেন—  নিখিল সরকার।

21। দুজন সাহিত্যিকের নাম করো যাঁদের নেশা ছিল ফাউন্টেন পেন সংগ্রহ করা ?

উত্তর: ফাউন্টেন পেন সংগ্রহ করার নেশা ছিল এমন দুজন সাহিত্যিক হলেন- শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় ও শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

22। লেখক শ্রীপাদ ছোটোবেলায় কীসে ‘হোম-টাস্ক’ করতেন? 

উত্তর: লেখক শ্রীপাদ্ধ ছোটোবেলায় কলাপাতাকে কাগজের মতো সাইজ করে কেটে নিয়ে তাতে হোমটাস্ক করতেন।

23। “সিজার যে কলমটি দিয়ে কাসকাকে আঘাত করেছিলেন’ তার পোশাকি নাম- স্টাইলাস।

24। “কলম নিয়ে যেতে ভুলে যাই তবেই বিপদ” —-বিপদের কারণ কি?

উত্তর: কারণ লেখক এর অফিসে লেখক ছাড়া কারো কাছে কলম থাকে না যদিও লেখক কারো কাছ থেকে গলা শুকনো ভোতা মুখো একটা কলম পান তা দিয়ে তিনি লিখে সুখ পান না।

25। “লেখার পাত বলতে শৈশবে আমাদের ছিল” — লেখকের লেখার পাঠ কী ছিল?

উত্তর: কলাপাতা।

26। “তাই নিয়ে আমাদের প্রথম লেখা লিখি” – প্রথম লেখালেখি কি নিয়ে?

উত্তর: বাঁশের কলম, মাটির দোয়াত, ঘরে তৈরি কালি আর কলাপাতা নিয়ে লেখকের প্রথম লেখা লিখি।

27। স্টাইলিশ কি?

উত্তর: ব্রোঞ্জের শালাকা যার পোশাকি নাম স্টাইলিশ।

28। “খাগের কলম দেখা যায়” — খাগের কলম কখন দেখা যায়?

উত্তর: সরস্বতী পূজার সময়।

29। “স্কুলের ছেলে মেয়ের তহবিলে হয়তো দেখা যায়”— তহবিলে কি দেখা যায়? 

উত্তর: রকমারি কলম।

30। “বাবু কুইল ড্রাইভার” — কথাটি কে কাদের বলতেন? 

উত্তর: লর্ড কার্জন বাঙ্গালী সাংবাদিকদের গরম গরম ইংরেজি দেখে বলতেন।

31। পন্ডিতমশাইয়ের কলম কিসের জন্য খ্যাত ছিল?

উত্তর:  কানে গুঁজে রাখার জন্য।

32। “দার্শনিক তাকেই বলি” দার্শনিক কাকে বলা হয়?

 উত্তর: যিনি কানে কলম গুঁজে দুনিয়া খোঁজেন।

33। “যার কলম ছিল পায়ের মোজায় গোঁজা” কার কলম পায়ের মজায় গোঁজা ?

উত্তর: লেখকের ছেলেবেলায় দেখা একজন দারোগাবাবু।

34। “কলম তাদের কাছে আজ অস্পৃশ্য” — কলম কাদের কাছে অস্পৃশ্য?

উত্তর: কলম এখন এতই সস্তা এবং সর্বভোগ্য হয়ে গেছে যে পকেট মাররাও এখন আর কলম নিয়ে হাত সাফাইয়ের খেলা দেখায় না তাই তাদের কাছে আজ কলম অস্পৃশ্য।

35। কলমের দুনিয়ায় সত্যিকারের বিপ্লব কে ঘটায়? 

উত্তর: ফাউন্টেন পেন।

36। “বাংলায় তাকে বলা হত ঝরনা কলম” কাকে ঝরনা কলম বলা হত?

উত্তর: ফাউন্টেন পেনকে।

37। ফাউন্টেন পেনের আবিষ্কারক কে?

উত্তর: লুইস অ্যাডসন  ওয়াটারম্যান।

38। “তা লেখককে নেশাগ্রস্ত করে” কে লেখককে নেশাগ্রস্ত করে?

উত্তর: ফাউন্টেন পেন 

39। “তারও ছিল ফাউন্টেন পেনের নেশা” কার কথা বলা হয়েছে?

উত্তর:  শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কথা বলা হয়েছে।

40। আদিতে ফাউন্টেন পেনের কি নাম ছিল?

উত্তর:  রিজার্ভার পেন

41। ফাউন্টেন পেনকে কিভাবে দামি আরো পোক্ত করা হতো?

উত্তর: ফাউন্টেন পেনে প্লাটিনাম সোনা এসব দিয়ে মুড়ে তাকে আরও দামি আরও পোক্ত করা হতো। 

42। “সেগুলো সাজিয়ে রাখার আসবার পত্র”— কোনগুলো?

উত্তর: খাগের কলম, পালকের কলম, জোড়া দোয়াত কলম ইত্যাদি।

43। গ্রামে কেউ দু একটা পাশ দিতে পারলে বুড়োবুড়িরা কি আশীর্বাদ করতেন?

উত্তর: বেঁচে থাকো বাছা তোমার সোনার দোয়াত কলম হোক।

44। ক্যালিগ্রাফিস্ট বা লিপি কুশলী কাদের বলা হত? 

উত্তর: যাঁরা ওস্তাদ কলমবাজ তাঁদের বলা হয়।

45। চার খন্ড রামায়ণ কপি করে অষ্টাদশ শতকে একজন লেখক কি কি পেয়েছিলেন?

উত্তর:  ৬০ টাকা, কিছু কাপড় আর মিঠাই।

46। উনিশ শতকে 12 আনায় কত অক্ষর লেখা যেত? 

উত্তর: ৩২ হাজার অক্ষর।

হারিয়ে যাওয়া কালি কলম বড় প্রশ্ন উত্তর

কমবেশি ১৫০টি শব্দে উত্তর দাও (প্রশ্নমান-৫)

1। “আশ্চর্য, সবই আজ অবলুপ্তির পথে।”- কোন্ জিনিস আজ অবলুপ্তির পথে? এই অবলুপ্তির কারণ কী? এ বিষয়ে লেখকের মতামত কী? (১+২+২)

উত্তর: কলম, কালি, দোয়াত, ফাউন্টেন পেন আজ অবলুপ্তির পথে।

এ কলমের অবলুপ্তির কারণ হলো কম্পিউটারের ব্যবহার।

‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ রচনায় আমরা দেখতে পাই লেখক শ্রীপান্থের কালি কলমের প্রতি বিপুল ভালবাসা।কালি, কলম, দোয়াতের সাথে লেখকের ছোটবেলার বহু স্মৃতি জড়িত। আধুনিকতার কালপ্রবাহে কালি কলম অবলুপ্তির ফলে লেখক এবং লেখকের মত অনেকে বিপন্ন বোধ করেছে। এ বিষয়ে লেখক জানিয়েছেন- “মানুষের হাত থেকে যদি কেড়ে নেওয়া হয় কলম, যদি হাতের লেখা মুছে যায় চিরকালের জন্য তবে আর কি রইল”। বঙ্কিমচন্দ্র লিখেছেন “লাঠি তোমার দিন ফুরাইয়াছে” হতে পারে কলমের দিনও ফুরুইছে।তবে ইতিহাসে ঠয় কিন্তু তার পাকা।

2। “আমার মনে পড়ে প্রথম ফাউন্টেন কেনার কথা। ” -বক্তার আসল নাম কী? তাঁর ফাউন্টেন কেনার ঘটনাটি সংক্ষেপে বিবৃত করো। (১+৪)

উত্তর: ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ রচনার লেখক শ্রীপান্থ যাঁর আসল নাম নিখিল সরকার।

দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের বেশ কয়েক বছর পর লেখক কলেজ স্ট্রিটের একটি নামী দোকানে গিয়েছিলেন প্রথম ফাউন্টেন পেন কিনবেন বলে। সেখানে দোকানদার পার্কার, শোফার্ড, ওয়াটারম্যান, সোয়ান, পাইলট নানা রকমের পেনের নাম এবং সাথে প্রত্যেক পেনের দাম টাও বলেন।দোকানদার লেখকের মুখের দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারেন লেখকের পকেটের অবস্থা। তারপর দোকানদার লেখককে সস্তার এক পাইলট (জাপানি কলম) নিয়ে যাওয়ার কথা বলেন। দোকানদার পেনটির খাপটা সরিয়ে কলমটি ছুড়ে দিলেন টেবিলের এক পাশে দাঁড় করানো একটা কাঠের বোর্ডের ওপর। সার্কাসে যেমন জ্যান্ত মানুষের বুকে ছুরি ছুঁড়ে দিলে সে অক্ষত থাকে।তেমনি দোকানদার দেখান পেনটির নিব অক্ষত রয়েছে এবং দুই এক ছত্র লিখে দেখিয়ে দিলেন। এইসব ঘটনার পর লেখক সেই জাদু পাইলট নিয়েই ঘরে ফিরেছিলেন।

3। “আমরা কালিও তৈরি করতাম নিজেরাই।”— কারা কালি তৈরি করতেন? তাঁরা কীভাবে কালি তৈরি করতেন। (১+৪)

উত্তর: আলোচ্য উদ্ধৃতাংশ টি লেখক শ্রীপান্থের রচিত ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ রচনায় উপস্থিত।লেখক নিখিল সরকার ছেলেবেলায় নিজেরাই কালি তৈরি করতেন তবে পিসি, মা, দিদিরাও সাহায্য করতেন।

লেখকের কালি তৈরি: ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলমে’ উল্লেখিত প্রাচীনদের মতে ভালো কালি তৈরি করার ব্যবস্থাপত্র টি হল: তিল ত্রিফলা সিমুল ছালা/ছাগ দুগ্ধে করি মেলা/লৌহপাত্রে লোহায় ঘসি/ছিঁড়ে পত্র না ছাড়ে মসি।’ তবে লেখকের কাছে এত সব কিছু জোগাড় করা কঠিন ছিল। তাই লেখকরা ছেলেবেলায় সহজ পদ্ধতিতে কালি তৈরি করতেন।যা হলো- লেখকের বাড়ির রান্না হতো কাঠের উননে তাতে কড়াইয়ের তলায় বেশ কালী জমত।লাউ পাতা দিয়ে তা ঘষে তুলে একটা পাথরের বাটিতে রাখা জলে তা গুলে নিতে হতো। লেখকদের মধ্যে আবার যারা ওস্তাদ তারা ওই কালো জলে হরতকী ঘষত। আবার কখনো কখনো মাকে দিয়ে আতপ চাল ভেজে পুড়িয়ে তা বেটে ওতে মিশাতো। সব ভালো করে মেশাবার পর একটা খুন্তির গোড়ার দিকটা পুড়িয়ে লাল টকটক করে সেই জলে ছ্যাকা দেওয়া হতো।জল টগবগ করে ফুটতো তারপর ন্যাকড়ায় ছেঁকে মাটির দোয়াতে ঢেলে তৈরি হয়ে যেত কালি।

4। ‘ফাউন্টেন পেন’ বাংলায় কী নামে পরিচিত? নামটি কার দেওয়া বলে উল্লেখ করা হয়েছে? ফাউন্টেন পেনের জন্ম ইতিহাস লেখো। (১+১+৩)

উত্তর: ফাউন্টেন পেন বাংলায় ঝরনা কলম নামে পরিচিত ছিল।

‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ রচনায় ফাউন্টেন পেন নামটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দেওয়া হতে পারে।

প্রথমে ফাউন্টেন পেনের নাম ছিল রিজার্ভার পেন। পরবর্তীতে এই পেন উন্নত্ত হয়ে ফাউন্টেন পেন- এ রূপদান করা হয়েছে। এই ফাউন্টেন পেনের আবিষ্কারক হলেন লুইস অ্যাডসন ওয়াটারম্যান।

ফাউন্টেন পেন জন্ম ইতিহাস: ব্যবসায়ী লুইস অ্যাডসন ওয়াটারম্যান সেকালের অন্যান্য ব্যবসায়ীদের মত দোয়াত কলম নিয়ে কাজে বের হতেন।একবার তিনি অন্য এক ব্যবসায়ীর সাথে চুক্তিপত্র সই করতে জান।দলিল কিছুটা লেখা হয়েছে এমন সময় দোয়াত হঠাৎ উপুড় হয়ে পড়ে গেল কাগজে। একবার তিনি ছুটলেন কালির সন্ধানে ফিরে এসে তিনি দেখলেন ইতিমধ্যে আর একজন তৎপর ব্যবসায়ী সইসাবুদ সাঙ্গ করে চুক্তিপত্র পাকা করে চলে গেছে। এ ঘটনার পর বিমর্ষ ওয়াটারম্যান মনে মনে প্রতিজ্ঞা করলেন আর নয় এর একটা বিহিত তাঁকে করতেই হবে। এই উদ্দেশ্যে জন্ম নিল ফাউন্টেন পেন।

5। “তাই কেটে কাগজের মতো সাইজ করে নিয়ে আমরা তাতে ‘হোম ‘টাস্ক’ করতাম।”— কীসে হোম টাস্ক’ করা হত? ‘হোম টাস্ক’ করার সম্পূর্ণ বিবরণ দাও। (1+8)

উত্তর: লেখক নিখিল সরকারের রচিত ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ রচনায় শৈশবে লেখকদের লেখার পাত বলতে ছিল কলাপাতা। কলাপাতা কেটে কাগজের মতো সাইজ করে নিয়ে তাতেই হোমটাস্ক করতেন।

রচনায় উল্লেখিত লেখক গ্রামের ছেলে। তিনি শৈশবে লেখালিখির সকল উপদ্রব্য নিজেরাই বাড়িতেই তৈরি করতেন। লেখক কলম তৈরি করতেন রোগা বাঁশের কঞ্চি কেটে, ওই কঞ্চির মুখটি চিরে দিতেন যাতে কালি এক সঙ্গে গড়িয়ে না পড়ে তার জন্য এবং লেখকের লেখার পাত ছিল কলা পাতা।এই কলাপাতাকে কাগজের মতো সাইজ করে নিয়ে এতেই লেখক শৈশবে হোমটাস্ক করতেন। আর সেগুলো বান্ডিল করে নিয়ে যেতেন স্কুলে।স্কুলের মাস্টারমশাই সেগুলি দেখে বুঝে আড়াআড়ী ভাবে একটান টেনে ছিঁড়ে ফেরত দিতেন পড়ুয়াদের।তারপর স্কুল থেকে ফেরার পথে সেই হোমটাস্ক করা কলাপাতা গুলি ফেলে দিতেন পুকুরে কারণ অক্ষর বাইরে ফেললে গরু খেয়ে নিলে তা অমঙ্গল।

________________________________________________________________________

(***মাধ্যমিক পরীক্ষার নিকটে এই প্রশ্ন উত্তর গুলির মধ্যে কিছু প্রশ্ন important না হলে তা বাদ হতে পারে এবং কিছু প্রশ্ন important মনে হলে তা অবশ্যই এর মধ্যে যোগ করে দেওয়া হবে। তাই আপডেটেড পোস্টটি দেখার জন্য moneygita এই পোস্টটিকে সেভ করে রাখবে।*)

হারিয়ে যাওয়া কালি কলম প্রশ্ন উত্তর PDF

হারিয়ে যাওয়া কালি কলম প্রশ্ন উত্তর টি ডাউনলোড করার জন্য নিচে link দেওয়া হয়েছে।

হারিয়ে যাওয়া কালি কলম প্রশ্ন এবং উত্তরের প্রত্যেকটি লাইন ভালো করে বুঝবে কারণ পরীক্ষায় প্রশ্ন বিভিন্ন রকম ভাবে আসতে পারে।

হারিয়ে যাওয়া কালি কলম FAQ

হারিয়ে যাওয়া কালি কলম এর উৎস কি?

হারিয়ে যাওয়া কালি কলম প্রবন্ধের উৎস হল নিখিল সরকার রচিত কালি আছে কাগজ নেই, কলম আছে মন নেই গ্রন্থের অন্তর্গত।

ফাউন্টেন পেন এর বাংলা নাম কি ছিল?

ফাউন্টেন পেন এর বাংলা নাম ছিল ঝরনা কলম।

হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধ থেকে আমার দেওয়া এই সকল সাজেশন ভিত্তিক প্রশ্ন উত্তর গুলির মধ্যে আমার বিশ্বাস ২০২৪ সালের মাধ্যমিক বাংলা পরীক্ষায় তোমরা সদার্থক ফল দেখতে পারবে। এর পাশাপাশি তোমরা অবশ্যই টেক্সটবুক কে ভালো করে পড়বে এতে তোমরা নিজে থেকে বহু প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে। এছাড়াও তোমাদের অন্যান্য কোন প্রশ্ন সমাধানের জন্য আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ জয়েন করতে পারো। পরবর্তী সাজেশন গুলি এই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপেই দেওয়া হবে।

Leave a Comment